Search for:
  • Home/
  • india/
  • চন্দ্রযান-৩: প্রজ্ঞান রোভার ইতিমধ্যে চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথমবারের মতো পা ফেলেছে।
ভারতের পাঠানো চাঁদ রোভার ইতিমধ্যে প্রথম পদক্ষেপ চাঁদের পৃষ্ঠে গ্রহণ করেছে। এই ইতিহাসটি তৈরি হয়েছে ঠিক উত্তর মেরুর কাছে ল্যান্ড করার একদিন পর। চন্দ্রযান-৩-এর রোভার ল্যান্ডার থেকে

চন্দ্রযান-৩: প্রজ্ঞান রোভার ইতিমধ্যে চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথমবারের মতো পা ফেলেছে।

চন্দ্রযান-৩: প্রজ্ঞান রোভার ইতিমধ্যে চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথমবারের মতো পা ফেলেছে।
চন্দ্রযান-৩: প্রজ্ঞান রোভার ইতিমধ্যে চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথমবারের মতো পা ফেলেছে।

ভারতের পাঠানো চাঁদ রোভার ইতিমধ্যে প্রথম পদক্ষেপ চাঁদের পৃষ্ঠে গ্রহণ করেছে। এই ইতিহাসটি তৈরি হয়েছে ঠিক উত্তর মেরুর কাছে ল্যান্ড করার একদিন পর।
চন্দ্রযান-৩-এর রোভার ল্যান্ডার থেকে ” রেম্প ডাউন” এবং “ভারত চাঁদে হাঁটতে শুরু করেছে!”, বলেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।
বুধবার সন্ধ্যায় পরিকল্পনা মাপিক বিক্রম লেন্ডার টি সফলভাবে চন্দ্রপৃষ্ঠে নেমেছে।

এর সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীনের পর ভারত চাঁদে একটি সফট ল্যান্ডিং অর্জনের জন্য একটি অভিজাত ক্লাবের যোগদান করার গৌরব অর্জন করেছে।

ছাব্বিশ কেজি এই রোবারটির নাম হলো প্রজ্ঞান। প্রকার শব্দটি একটি সংস্কৃত শব্দ। এর বাংলা হল জ্ঞান। এটিকে বিক্রমের পেটে করে চাঁদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

রোভারটি ল্যান্ড  করার সময় প্রচুর ধুলাবালি উত্থিত হয়েছিল। এই ধুলোবালি গুলো স্থির হওয়ার পরে বিক্রমের এক পাশে থাকা প্যানেলগুলোর একটি  স্থাপনের জন্য খোলা হয়েছিল। যাতে সেই  র‍্যাম্প ব্যবহার করে চন্দ্রপৃষ্ঠে স্লাইড ডাউন করতে সক্ষম হয়।

এটি এখন চান্দের চারিপাশে  চড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পাথর এবং গর্তের চারিপাশে ঘোরাফেরা করবে এবং গবেষণার জন্য পৃথিবীতে ফেরত পাঠাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং চিত্র সংগ্রহ করবে ।

প্রজ্ঞান দুটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র বহন করছে যা চন্দ্রপৃষ্ঠে কি কি খনিজ রয়েছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে এবং এর পাশাপাশি মাটির রাসায়নিক গঠন অধ্যায়ন করবে।

গবেষণার জন্য পৃথিবীতে পাঠাতে প্রজ্ঞান চন্দ্রযান 2 এর লেন্ডারের সাথে যোগাযোগ করবে। চন্দ্রযান 2 এখনো চাঁদকে প্রদক্ষিণ করছে।

প্রতি সেকেন্ডে ১ সেন্টিমিটার গতিতে চলবে এবং এরই সাথে তার ছয়টি থাকার চাপ এবং লোগো চন্দ্রপৃষ্ঠতে ছাপ রেখে যাবে।

ভারত যাদের দক্ষিণ মেরেছে এক ঐতিহাসিক ল্যান্ডিং করেছে।
যা দক্ষিণ মেরুর রহস্য উদ্ঘাটনের প্রতিযোগিতা বলা যেতে পারে।

চাঁদের একদিন পৃথিবীতে চার সপ্তাহের একটু বেশি সমান হয় এটা দ্বারা বোঝা যায় যে চার্জ করার জন্য ১৪ দিন সূর্যের আলো বা রোদ থাকবে।

যদি একবার রাত হয়ে যায় তবে তারা ডিসচার্জ করবে এবং কাজ করা বন্ধ রাখবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় পরবর্তী চন্দ্র দিন শুরু হলে তারা জীবিত হবে কিনা তা এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

লেন্ডারটি বেশ কয়েকটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ও বহন করছে যা চন্দ্রপৃষ্ঠে এবং এর উপরে নিচে ভিতরে কি ঘটছে তা খুঁজে বের করতে সহায়তা করবে।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে চাঁদে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রয়েছে তবে চন্দ্রযান তিন এর প্রধান লক্ষ্য গুলোর মধ্যে একটি হল পানির সন্ধান করা বিজ্ঞানীরা বলছেন যে দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের বিশাল গর্তগুলো স্থায়ীভাবে থাকা বরফ ধারণ করে যা ভবিষ্যতে চাঁদে মানুষ পাঠানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এটি মঙ্গল গ্রহ এবং অন্যান্য দূরবর্তী গন্তব্যে যাওয়ার জন্য মহাকাশযানের জন্য প্রোপেলেন্ট সরবরাহের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে সফট লেন্ডিং এর অভিজাত ক্লাবে যোগদান করার গৌরব অর্জন করায় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এবং ভারতবাসীকে অভিনন্দন।

 

Leave A Comment

All fields marked with an asterisk (*) are required